counter create hit চন্দ্রহাস - Download Free eBook
Ads Banner
Hot Best Seller

চন্দ্রহাস

Availability: Ready to download

পারিবারিক নরবলি - এ দুটো শব্দেই নড়ে চড়ে বসতে হয়। খোদ কলকাতায় সেই নরবলির রীতি পালন করছে এক পরিবার। দেড়শো বছর ধরে এই রীতির খবর কেউ জানে না। মহারাজ প্রতাপ নারায়ণ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির আমলে এক রাতে করেছিলেন এরকম এক পাপ যার ফলে তার পরবর্তী বংশধরদের জীবনে নেমে আসে এক অমোঘ অন্ধকারের অভিশাপ--রক্ত গঙ্গা বইতে দিতে হয় প্রতি বছর। ইতিহাসের প্রফেসর রাঘব নরবলির ইতিহাস নিয়ে কাজ ক পারিবারিক নরবলি - এ দুটো শব্দেই নড়ে চড়ে বসতে হয়। খোদ কলকাতায় সেই নরবলির রীতি পালন করছে এক পরিবার। দেড়শো বছর ধরে এই রীতির খবর কেউ জানে না। মহারাজ প্রতাপ নারায়ণ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির আমলে এক রাতে করেছিলেন এরকম এক পাপ যার ফলে তার পরবর্তী বংশধরদের জীবনে নেমে আসে এক অমোঘ অন্ধকারের অভিশাপ--রক্ত গঙ্গা বইতে দিতে হয় প্রতি বছর। ইতিহাসের প্রফেসর রাঘব নরবলির ইতিহাস নিয়ে কাজ করছেন বহু বছর ধরে। বহু গবেষণা তার করায়ত্ত, কিন্তু একটা বিষয় নিয়ে কেউ কোনোদিন আগ্রহ প্রকাশ করেনি। নতুন বছরের ব্যাচে রাঘব পেলেন প্রিয় ছাত্র রিশানকে যে কার্য কারণে সেই একই বিষয়ের শিকার। শুরু হল খোঁজ। কিন্তু কীসের খোঁজ এ রকম এক বিষয় যে কাহিনী কেউ মনেই রাখতে পারে না অভিশাপের কারণে! রাজকীয় পূজা, তন্ত্রাচার, লোভ, অপশাসন, যৌনাচার, সাধন-ভজন, কী নেই এই কাহিনীতে! একে একে পেঁয়াজের খোসার মতো কাহিনী উন্মোচিত হতে থাকে। ঠিক যতটা উন্মোচন ততটাই ইতিহাসের অন্ধকারে হারিয়ে যেতে থাকে ‘চন্দ্রহাস’-এর চরিত্ররা। এর আদৌ কোনও তল পাওয়া যাবে কি? সৌরভ চক্রবর্তী’র ‘চন্দ্রহাস’ উপন্যাসে উঠে এসেছে ইতিহাস, ধর্ম, অলৌকিকতা উর্ধ্বে উঠে গিয়ে এক অমানুষের রুদ্ধশ্বাস কাহিনী যা আমাদের ভিতটাকেই নাড়িয়ে দেবে।


Compare
Ads Banner

পারিবারিক নরবলি - এ দুটো শব্দেই নড়ে চড়ে বসতে হয়। খোদ কলকাতায় সেই নরবলির রীতি পালন করছে এক পরিবার। দেড়শো বছর ধরে এই রীতির খবর কেউ জানে না। মহারাজ প্রতাপ নারায়ণ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির আমলে এক রাতে করেছিলেন এরকম এক পাপ যার ফলে তার পরবর্তী বংশধরদের জীবনে নেমে আসে এক অমোঘ অন্ধকারের অভিশাপ--রক্ত গঙ্গা বইতে দিতে হয় প্রতি বছর। ইতিহাসের প্রফেসর রাঘব নরবলির ইতিহাস নিয়ে কাজ ক পারিবারিক নরবলি - এ দুটো শব্দেই নড়ে চড়ে বসতে হয়। খোদ কলকাতায় সেই নরবলির রীতি পালন করছে এক পরিবার। দেড়শো বছর ধরে এই রীতির খবর কেউ জানে না। মহারাজ প্রতাপ নারায়ণ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির আমলে এক রাতে করেছিলেন এরকম এক পাপ যার ফলে তার পরবর্তী বংশধরদের জীবনে নেমে আসে এক অমোঘ অন্ধকারের অভিশাপ--রক্ত গঙ্গা বইতে দিতে হয় প্রতি বছর। ইতিহাসের প্রফেসর রাঘব নরবলির ইতিহাস নিয়ে কাজ করছেন বহু বছর ধরে। বহু গবেষণা তার করায়ত্ত, কিন্তু একটা বিষয় নিয়ে কেউ কোনোদিন আগ্রহ প্রকাশ করেনি। নতুন বছরের ব্যাচে রাঘব পেলেন প্রিয় ছাত্র রিশানকে যে কার্য কারণে সেই একই বিষয়ের শিকার। শুরু হল খোঁজ। কিন্তু কীসের খোঁজ এ রকম এক বিষয় যে কাহিনী কেউ মনেই রাখতে পারে না অভিশাপের কারণে! রাজকীয় পূজা, তন্ত্রাচার, লোভ, অপশাসন, যৌনাচার, সাধন-ভজন, কী নেই এই কাহিনীতে! একে একে পেঁয়াজের খোসার মতো কাহিনী উন্মোচিত হতে থাকে। ঠিক যতটা উন্মোচন ততটাই ইতিহাসের অন্ধকারে হারিয়ে যেতে থাকে ‘চন্দ্রহাস’-এর চরিত্ররা। এর আদৌ কোনও তল পাওয়া যাবে কি? সৌরভ চক্রবর্তী’র ‘চন্দ্রহাস’ উপন্যাসে উঠে এসেছে ইতিহাস, ধর্ম, অলৌকিকতা উর্ধ্বে উঠে গিয়ে এক অমানুষের রুদ্ধশ্বাস কাহিনী যা আমাদের ভিতটাকেই নাড়িয়ে দেবে।

30 review for চন্দ্রহাস

  1. 4 out of 5

    Riju Ganguly

    ভালো-মন্দ সব মিলিয়েই বলি, বাংলা সাহিত্যে এমন বই আমি আগে পড়িনি। এ বই পড়া একটা নজিরবিহীন অভিজ্ঞতা ছিল। এই অনুভূতির বিস্তৃত ব্যাখ্যা দিতে গেলে স্পয়লার আসবেই। তাই স্রেফ দুটো জিনিস বলি। প্রথমত, নরবলি নিয়ে বিশ্বাস ও অপবিশ্বাসের ফ্যাক্ট আর তন্ত্রসম্ভূত হররের ফিকশনকে এভাবে কেউ মেশাননি। এই বই সেই বিচারে একমেবাদ্বিতীয়ম। গবেষণা করে লেখার মাঝেও কয়েকটি অনভিপ্রেত ত্রুটি (আব্রাহামের নিজ সন্তানকে বলি দেওয়ার অংশ, সিন্ধু-সরস্বতী সভ্যতার পতনের তথাকথিত ব্যাখ্যা) বড়ো বেশি করে চোখে লেগেছে। পরের সংস্করণে এগুলো ভালো-মন্দ সব মিলিয়েই বলি, বাংলা সাহিত্যে এমন বই আমি আগে পড়িনি। এ বই পড়া একটা নজিরবিহীন অভিজ্ঞতা ছিল। এই অনুভূতির বিস্তৃত ব্যাখ্যা দিতে গেলে স্পয়লার আসবেই। তাই স্রেফ দুটো জিনিস বলি। প্রথমত, নরবলি নিয়ে বিশ্বাস ও অপবিশ্বাসের ফ্যাক্ট আর তন্ত্রসম্ভূত হররের ফিকশনকে এভাবে কেউ মেশাননি। এই বই সেই বিচারে একমেবাদ্বিতীয়ম। গবেষণা করে লেখার মাঝেও কয়েকটি অনভিপ্রেত ত্রুটি (আব্রাহামের নিজ সন্তানকে বলি দেওয়ার অংশ, সিন্ধু-সরস্বতী সভ্যতার পতনের তথাকথিত ব্যাখ্যা) বড়ো বেশি করে চোখে লেগেছে। পরের সংস্করণে এগুলো ঠিক করে নিলে খুব ভালো হয়। দ্বিতীয়ত, সংশ্লিষ্ট পরিবারগুলোর পরিচয় গোপন রাখার ব্যাপারে লেখক প্রতিজ্ঞাবদ্ধ ছিলেন। সেজন্যই তিনি সচেতনভাবে এই কাহিনিতে রীতিমতো মোটা দাগের অলৌকিকত্ব আরোপ করেছেন। বাকি লেখায় এই জিনিস অদ্ভুতভাবে কার্যকরী হলেও শেষে এসে উপন্যাসটি অলৌকিকের গ্রাসে বিলীন হয়ে গেছে। তার কারণটি সহজেই অনুমেয় - চন্দ্রহাস যাতে আবার ঝলসাতে পারে তার উদ্যোগ নিচ্ছিলেন লেখক। স্রেফ ওই শেষটুকুর জন্যই গভীর অতৃপ্তি রয়ে গেল। তবে আশাও রইল। লেখক এমন এক রুদ্ধশ্বাস কাহিনির পরের পর্বে নিশ্চয় গুটিয়ে নেবেন আলগা থাকা সবক'টি সুতো। ইতিমধ্যে, এই বইটি অতি অবশ্যই পড়া উচিত বলে আমি মনে করি। কারণটা আগেই বলেছি, ভালো-মন্দ সব মিলিয়ে বাংলা সাহিত্যে এমন বই একটিও হয়নি। স্রেফ এই অনন্যতার জন্যই বইটিকে পাঁচ তারা দেওয়া যায়।

  2. 5 out of 5

    Farhan

    মোটামুটি হতাশ। লেখক ইতিহাসের সাথে ফিকশন মিশিয়ে লিখতে চেয়েছেন (ভূমিকাতে তার ভাষ্য), কিন্তু দুটোর কোনটাই ঠিকমত হয়নি। লেখনী আড়ষ্ট, বেশিরভাগটাই লেকচার, চরিত্রগুলো একটাও গড়ে ওঠেনি, আর শেষটা এতটাই অগোছালো আর তাড়াহুড়ো যে মনে হলো লেখকের ট্রেন ছেড়ে দিচ্ছিল। একশন এনে আরো ক্ষতি হয়েছে ; যা-তা। আর গল্প খুঁজতে যতটা পরিশ্রম করেছেন, গল্পটা সাজাতে তার খানিকটা করলে, সাথে ভাল একজন এডিটর থাকলে হয়তো নতুন ধরণের এই প্লটটা দাঁড়িয়ে যেত। এখন যা হয়েছে, সেটার নাম পয়সা নষ্ট।

  3. 4 out of 5

    শবর (Shabor)

    সাড়ে তিন তারা অ্যাকচুয়ালি। নিষিদ্ধ ধর্মাচার, বিকৃত যৌনাচার, ব্লাড অ্যান্ড গোর, ভায়োলেন্স, অতিপ্রাকৃত, ইতিহাস আর পুরাণ- এইসব নিয়েই বেশ ভালো একটা হরর ফ্যান্টাসি বই এই চন্দ্রহাস। পছন্দের জনরা হওয়াতে বেশ ভালোই এঞ্জয় করা গেসে। প্লাস পয়েন্ট হলো লেখকের বিস্তর স্টাডি আর গবেষণা, নতুন হরর টপিক, ঐতিহাসিক রেফারেন্স আর লো ফ্যান্টাসির নিপুণ আবহ তৈরি। মাইনাস পয়েন্ট হলো কাহিনীর কিছু প্লটহোল, অনভিজ্ঞতার দরুণ খানিকটা দুর্বল লেখনী, আর দুর্বল ক্যারেক্টার বিল্ডআপ। ইতিহাস কপচানোর ফাঁকে চরিত্র গঠনের সুযোগ পানন সাড়ে তিন তারা অ্যাকচুয়ালি। নিষিদ্ধ ধর্মাচার, বিকৃত যৌনাচার, ব্লাড অ্যান্ড গোর, ভায়োলেন্স, অতিপ্রাকৃত, ইতিহাস আর পুরাণ- এইসব নিয়েই বেশ ভালো একটা হরর ফ্যান্টাসি বই এই চন্দ্রহাস। পছন্দের জনরা হওয়াতে বেশ ভালোই এঞ্জয় করা গেসে। প্লাস পয়েন্ট হলো লেখকের বিস্তর স্টাডি আর গবেষণা, নতুন হরর টপিক, ঐতিহাসিক রেফারেন্স আর লো ফ্যান্টাসির নিপুণ আবহ তৈরি। মাইনাস পয়েন্ট হলো কাহিনীর কিছু প্লটহোল, অনভিজ্ঞতার দরুণ খানিকটা দুর্বল লেখনী, আর দুর্বল ক্যারেক্টার বিল্ডআপ। ইতিহাস কপচানোর ফাঁকে চরিত্র গঠনের সুযোগ পাননাই লেখক। একদম নতুন ধরনের হরর পড়ার জন্য হলেও পড়তে পারেন, কোয়াইট গুড।

  4. 5 out of 5

    Moumita Hride

    বইয়ের শেষের দিক টা বেশি মেলোড্রামাটিক হয়ে গেলো না? যাইহোক, প্রথম দিক থেকে ভালো লাগলেও মাঝখান থেকে আগ্রহ হারিয়ে ফেলি, বেশি অলৌকিক হয়ে গেছে কাহিনী টা৷ হয়তো আমি যেরকম আশা করেছিলাম সেরকম না হওয়ায় হতাশ লেগেছে! তবে নরবলি টপিক টা ইন্টারেস্টিং আগে কখনো এতটা জানিনি এজন্য লেখককে ধন্যবাদ 🙂 উনি বেশ চেষ্টা আর পড়াশুনা করেছেন বোঝায় যায় বইটা পড়লে। আর বইয়ের ভিতরের "আর্ট" গুলা ভালো লেগেছে। ☺

  5. 5 out of 5

    শুভাগত দীপ

    || রিভিউ || বইঃ চন্দ্রহাস লেখকঃ সৌরভ চক্রবর্তী প্রকাশকঃ বাতিঘর প্রকাশনী প্রকাশকালঃ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ঘরানাঃ হিস্টোরিক্যাল থ্রিলার/সুপারন্যাচারাল থ্রিলার প্রচ্ছদ ও অলঙ্করণঃ অনিকেত মিত্র পৃষ্ঠাঃ ২২৪ মুদ্রিত মূল্যঃ ৩০০ টাকা ফরম্যাটঃ হার্ডকভার কাহিনি সংক্ষেপঃ প্রায় দেড়শো বছর আগের কথা। ভারতীয় উপমহাদেশের তৎকালীন বস্তার রাজ্য। রাজ্যের মহারাজ প্রতাপ নারায়ণ চৌধুরী এক রাতে মা দন্তেশ্বরীর মন্দিরে মায়ের পূজার সময়ে রক্তের হোলিখেলায় মেতে উঠলেন। একের পর এক যুদ্ধবন্দিদের যূপকাষ্ঠে আটকে তাদের শিরোচ্ছেদ করে বলি দ || রিভিউ || বইঃ চন্দ্রহাস লেখকঃ সৌরভ চক্রবর্তী প্রকাশকঃ বাতিঘর প্রকাশনী প্রকাশকালঃ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ঘরানাঃ হিস্টোরিক্যাল থ্রিলার/সুপারন্যাচারাল থ্রিলার প্রচ্ছদ ও অলঙ্করণঃ অনিকেত মিত্র পৃষ্ঠাঃ ২২৪ মুদ্রিত মূল্যঃ ৩০০ টাকা ফরম্যাটঃ হার্ডকভার কাহিনি সংক্ষেপঃ প্রায় দেড়শো বছর আগের কথা। ভারতীয় উপমহাদেশের তৎকালীন বস্তার রাজ্য। রাজ্যের মহারাজ প্রতাপ নারায়ণ চৌধুরী এক রাতে মা দন্তেশ্বরীর মন্দিরে মায়ের পূজার সময়ে রক্তের হোলিখেলায় মেতে উঠলেন। একের পর এক যুদ্ধবন্দিদের যূপকাষ্ঠে আটকে তাদের শিরোচ্ছেদ করে বলি দিলেন মহারাজ প্রতাপ নারায়ণ। মা দন্তেশ্বরীর বিগ্রহ ও মন্দির প্রাঙ্গণ হতভাগ্য মানুষদের রক্তে রঞ্জিত হয়ে গেলো। নরবলি দেয়ার এই পৈশাচিক রীতির লাগামছাড়া অনুশীলনই যে একটা সময় মহারাজ প্রতাপ নারায়ণের বংশের আকাশ কালো মেঘে ঢেকে দেবে, তা হয়তো তিনি নিজেও কখনো ভেবে উঠতে পারেননি। বর্তমান সময়। ইতিহাসের প্রোফেসর রাঘব চক্রবর্তী কলেজে নরবলির ইতিহাস পড়ান৷ তাঁর নতুন ব্যাচের স্টুডেন্টদের মধ্যে একজনের মৃত্যু হলো অদ্ভুত এক অ্যাক্সিডেন্টে, যার সাথে কাকতালীয় ভাবে জড়িয়ে গেলেন তিনি। সত্যিই কি কাকতালীয়? এই ঘটনার পর রাঘব চক্রবর্তীর হাতে এসে পড়লো ঐতিহাসিক একটা বই, যেখানে মহারাজা প্রতাপ নারায়ণের বংশে শতবর্ষ ধরে চলে আসা নরবলি প্রথার আরো কিছু প্রামাণ্য দলিল আছে৷ রিশান নামে তাঁর আরেকজন স্টুডেন্টকে নিয়ে প্রোফেসর রাঘব চক্রবর্তীকে পাড়ি জমাতে হলো বস্তারের মা দন্তেশ্বরীর মন্দিরে। অজানা সব রহস্যময় লোকজন কেন যেন প্রোফেসর সাহেব ও রিশানকে সাহায্য করে চলেছে৷ কেন? ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির সৈন্যদের দৌরাত্ম্যে মহারাজা প্রতাপ নারায়ণ চৌধুরী পালিয়ে এসেছিলেন কলকাতায়। তাঁর সাথে ছিলো দেবাদিদেব মহাদেব প্রদত্ত লঙ্কাধিপতি রাবণের ব্রহ্মাস্ত্র চন্দ্রহাস, যার ফলায় লেগে রয়েছে বলি দেয়া শত শত মানুষের রক্ত। মহারাজা প্রতাপ নারায়ণ চন্দ্রহাসের নামেই নিজের মহলের নাম রাখলেন চন্দ্রহাস মহল আর সেখানেই চালু করলেন লম্বোদর গণেশের আরেক রূপ উচ্ছিষ্ট গণেশের পূজা৷ কিসের আশায়? প্রোফেসর রাঘব চক্রবর্তী ও রিশান যখন সব সূত্র মিলিয়ে চন্দ্রহাস মহলে পা রাখলো, তখন সেখানে বিপদের ঘোর ঘনঘটা। মহারাজা প্রতাপ শেষ বংশধর আদিত্য নারায়ণ দিশেহারা। আবারো দিতে হবে নরবলি, নইলে ভৈরবের অভিশাপে শেষ হয়ে যাবে পুরো বংশ। কে এই ভৈরব? কি ছিলো তার অভিশাপ? চন্দ্রহাস মহলের দুর্বিপাক থেকে এর অধিবাসীদের বাঁচাতে প্রোফেসর রাঘবকে খুঁজে বের করতে হবে ব্রহ্মাস্ত্র চন্দ্রহাস। সেই চন্দ্রহাস, যার ধারালো ফলায় এই দেড়শো বছরের রক্তের আখ্যান রচনা শুরু হয়েছিলো। পাতালের সুড়ঙ্গে কে বা কি দাপাদাপি করে, সেটাও জানতে হবে ছাত্র-শিক্ষককে। পূর্বপুরুষের মহাপাপের ফল বছরের পর বছর ভোগ করে আসা পুরোনো এক রাজপরিবারের সদস্যদের পিঠ এবার ঠেকে গেছে দেয়ালে। ত্রাতা হিসেবে উপস্থিত হওয়া প্রোফেসর রাঘব ও রিশান কি পারবে তাঁদেরকে এই প্রাচীণ অভিশাপ থেকে মুক্তি দিতে? পাঠ প্রতিক্রিয়াঃ কলকাতার দ্য কাফে টেবল ও বাংলাদেশের বাতিঘর প্রকাশনী থেকে প্রায় একই সময়ে প্রকাশিত হয়েছে ওপার বাংলার তরুণ লেখক সৌরভ চক্রবর্তীর 'চন্দ্রহাস' বইটা। পারিবারিক নরবলি সম্পর্কে বাংলা সাহিত্যে এমন বিস্তারিত কাজ এর আগে হয়নি৷ সৌরভ চক্রবর্তীকে এই বইয়ের মালমশলা সংগ্রহের জন্য বেশ পরিশ্রম করতে হয়েছে, তা সহজেই বোধগম্য। 'চন্দ্রহাস'-এর ভূমিকা অংশটা বিশাল। এই বিশাল ভূমিকা অংশে লেখক ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে লেখা 'চন্দ্রহাস' লেখার ইতিহাস তুলে ধরেছেন, যা বেশ ভালো লেগেছে আমার। মহারাজা প্রতাপ নারায়ণ চৌধুরী ও তাঁর বংশধরদের মেনে চলা নরবলি প্রথা সম্পর্কে গা শিউড়ানো ঘটনাবলী উপভোগ করেছি। পারিবারিক নরবলি ও সেই সংক্রান্ত রিচুয়ালগুলোর বর্ণনা বেশ ডিটেইল ছিলো। মাঝে মাঝে মনে হচ্ছিলো কোন এক্সট্রিম হরর বা স্ল্যাশার উপন্যাস পড়ছি৷ বিশেষ করে 'চন্দ্রহাস'-এর শেষদিকে এসে এই ব্যাপারটা আরো বেশি করে মনে হচ্ছিলো। গণেশের আরেক রূপ উচ্ছিষ্ট গণেশ, মা দন্তেশ্বরী ও দেবী দুর্গার আরেক রূপ দেবী রক্তদন্তিকা সম্পর্কে আগে বিন্দুমাত্র ধারণা ছিলোনা। এই বইটা পড়ার পর এসব ব্যাপারে জানতে পেরেছি৷ 'চন্দ্রহাস'-এ লেখক সৌরভ চক্রবর্তী দারুন এক ভৌতিক আবহ সৃষ্টি করেছেন। পারিবারিক নরবলির ইতিহাসের সাথে অতিপ্রাকৃতের এই সংমিশ্রণ কাহিনিটাতে যোগ করেছে ভিন্ন এক মাত্রা৷ এই বইয়ের শেষটা একটা সিক্যুয়েলের দিকেও কিন্তু ইঙ্গিত দিয়েছে। জানিনা, সিক্যুয়েল নিয়ে সৌরভ চক্রবর্তীর চিন্তাভাবনা কি। তবে এমনটা হলে কিন্তু বেশ ভালো হয়৷ প্রোফেসর রাঘব চক্রবর্তীর সাথে আবারো নরবলির রক্তাক্ত ইতিহাসে হারিয়ে যেতে চাইবো আমি। বেশ কিছু টাইপিং মিসটেক চোখে পড়েছে আমার৷ শেষের দিকে এর মাত্রা একটু বেড়ে গেছিলো। এক বসায় শেষ করার মতো এই বইটাতে বেশ কিছু ইলাস্ট্রেশন আছে যা শিল্পী অনিকেত মিত্র'র আঁকা। বইটার প্রচ্ছদও করেছেন তিনি। ইলাস্ট্রেশন ও প্রচ্ছদ অসাধারণ হয়েছে। অস্থির এই সময়ে বাইরে ঘোরাঘুরি না করে বাড়িতে থাকুন। বই পড়ুন৷ স্টে হোম। স্টে সেইফ। ব্যক্তিগত রেটিংঃ ৪.২৫/৫ গুডরিডস রেটিংঃ ৩.২৯/৫ © শুভাগত দীপ (২৩ মার্চ, ২০২০, সকাল ১০ টা ৫৭ মিনিট; নিজ রুম, নাটোর)

  6. 4 out of 5

    Tonmoy Biswas

    চন্দ্রহাস : সৌরভ চক্রবর্তী অলংকরণ : অনিকেত মিত্র প্রকাশক : দ‍্য কাফে টেবিল ও বাতিঘর (বাংলাদেশ) মুদ্রিত মূল্য : ৩০০ টাকা একমিনিট। হাতে একটা ঢিল নিন। এবার ওদিকে ডাঁই করে রাখা বইগুলোর দিকে ছুঁড়ুন। ছুঁড়ুন ছুঁড়ুন! অ্যাই তো, ‘অঘোরী’-র ওপর পড়েছে। আরেকবার নিন। ‘এবং ইনকুইজিশন’। আরেকবার। ও বাবা ডাইরেক্ট ‘অলাতচক্র’! আপনি হাঁপিয়ে যাবেন, কিন্তু ঢিলখানা অন্তত আরও বার পাঁচেক এমন বইয়ের ওপর পড়বে যা মূল উপজীব্য হচ্ছে তন্ত্র। সেখানে “এবং ইনকুইজিশন” বা '‘কালসন্দর্ভা’'-র মত স্তম্ভও যেমন আছে, তেমনি ‘বালি গুণিন’ (বা চন্দ্রহাস : সৌরভ চক্রবর্তী অলংকরণ : অনিকেত মিত্র প্রকাশক : দ‍্য কাফে টেবিল ও বাতিঘর (বাংলাদেশ) মুদ্রিত মূল্য : ৩০০ টাকা একমিনিট। হাতে একটা ঢিল নিন। এবার ওদিকে ডাঁই করে রাখা বইগুলোর দিকে ছুঁড়ুন। ছুঁড়ুন ছুঁড়ুন! অ্যাই তো, ‘অঘোরী’-র ওপর পড়েছে। আরেকবার নিন। ‘এবং ইনকুইজিশন’। আরেকবার। ও বাবা ডাইরেক্ট ‘অলাতচক্র’! আপনি হাঁপিয়ে যাবেন, কিন্তু ঢিলখানা অন্তত আরও বার পাঁচেক এমন বইয়ের ওপর পড়বে যা মূল উপজীব্য হচ্ছে তন্ত্র। সেখানে “এবং ইনকুইজিশন” বা '‘কালসন্দর্ভা’'-র মত স্তম্ভও যেমন আছে, তেমনি ‘বালি গুণিন’ (বানানে কাঁচা, একটা 'ই' এক্সট্রা হল বোধহয়) মার্কা ট্যাঁশগরুও পাবেন বিস্তর। কিন্তু, ওই যে তারাদাসবাবু নেশাটি একবার ধরিয়ে গেছেন। তন্ত্র নিয়ে ভাল ফিকশন বইয়ের খোঁজ আপনার থামবে না। তাই আপনার সার্চ লাইট যখন এমন কোন বইয়ের ওপর পড়ে, যার কিনা সাবটাইটলই হল, ‘পারিবারিক নরবলির ঐতিহাসিক কাহিনী’, তখন আপনার আদিম ডিএনএ তাতে এক্সট্রা ফোকাস ফেলতে বাধ্য। কারণ ততক্ষণে আপনার স্ক্রিনে জ্বল জ্বল করছে দুটো চোখ। আগুনের মাঝে শুয়ে থাকা এক তলোয়ারে স্পষ্ট বলির আভাস। আপনি হয়তো ব্লার্বটা পড়বেন খানিক। (ইয়ে, টিজারটাও দেখতে পারেন) এবং বই আপনার ব্যাগে। এর আগে বেশ কিছু ছোটগল্পে লেখক পাঠকের শ্বাসরোধ করেছেন। বার বার প্রমাণ করেছেন, তিনিও পারেন ভয়ের সরস্বতী নিয়ে ছিনিমিনি খেলতে। তখন বুঝিনি। কিন্তু এখন জানলাম তুরুপের তাস উপযুক্ত জল-বাতাসের অপেক্ষায় লুকিয়েছিল বহুদিন ধরে। প্রচুর পড়াশুনো, ফিল্ডওয়ার্ক ও আলোচনার ফসল এই 'চন্দ্রহাস'। যা ছিল রাবণের, আজ তা সৌরভের! বেশ বড় (প্রায় ন পাতা) একটা ভূমিকা পেরিয়ে গল্প শুরু হয় ব্রিটিশ ভারতে। বাংলা থেকে অনেক দূরে মধ্যপ্রদেশের এক জায়গায় নরবলি সহ আরও অনেক গা ঘিনঘিন করা রীতিনীতি ছিল নিত্য ঘটনা। সেখানেই অভিনীত হয় কিছু পাপ দৃশ্য, এবং পারিবারিক গল্পের হিটপ্লটের মতই এক অভিশাপের স্রোত গড়িয়ে যায় বাকি গল্পের দিকে। মোটামুটি এই স্রোত এখানে ওখানে বাউন্স করেই উপন্যাসকে টেনে নিয়ে যায় পরিণতির দিকে। এবং এই বয়ে চলা গল্প লেখক সামলেছেন অত্যন্ত মুনশিয়ানার সাথে। দুটো সময়কালকে যেন প্রায় দুই কলমে লিখেছেন লেখক। পুরোনো দিনের কথা বলতে গিয়ে তৎসম শব্দের ব্যবহার আলাদা মাত্রা দিয়েছে গোটা পরিবেশকে। ঠিক তেমনি বর্তমানের সিনে ভৃত্য, পুস্তক ইত্যাদি শব্দগুলো পড়ার সময় বড্ড চোখে লাগে। আর যেটা চোখে পড়ে, সেটা হল লেখকের পরিশ্রম! তাঁর প্লট বিন্যাস, নির্মেদ ভাষা দেখার মত। শেখার মত তাঁর গল্পের প্রতি নিষ্ঠা। গল্পের নন ফিকশন অংশের জন্য ঝরানো ঘাম সোনা হয়ে ফলেছে সারা বইয়ে। কিন্তু অতিরিক্ত সোনা চোখ একটু হলেও ধাঁধায়। তাই পরিমিতি বোধটাও দরকার ছিল সমানভাবে। তথ্য ভিত্তিক ফিকশন উপন্যাসের সব থেকে বেশি রিস্ক ফ্যাকটর হল, যেন অদরকারি মেদ না ঢুকে পড়ে। "চন্দ্রহাস"-এ তা ঢুকেছে প্রায় বন্যার মত। বেশ চলছে, আপনিও সিটের হাতল খামচে ধরেছেন কী হয়, কী হয় ভেবে। তখনি দেখলেন দুম করে থ্রিলার সিনেমায় ভক্তিগীতি ঢুকে পড়েছে। পুরো দু পাতা জুড়ে শিব তাণ্ডব স্তোত্র পড়তে হবে বসে বসে। আর আমার মত সংস্কৃত পিরিয়ডে নিলডাউন দেওয়া পাবলিক হলে তো কথাই নেই। অথচ দৃশ্য একদম পালটে যেত, যদি এই স্তোত্রেরই কিছু সামঞ্জস্যপূর্ণ লাইন ছড়িয়ে দেওয়া যেত এখানে সেখানে। তার সাথে বৃষ্টির শব্দ, বিদ্যুতের নীলচে ঝলক... এমনকি বরফ কুচির ওপর নাইট ল্যাম্পের রঙ মিশিয়ে বেশ সুন্দর একটা পরিবেশ সাজানো যেত পাঠকের জন্য। আসলে জ্ঞান জিনিসটাই এরকম। একজনের কাছে কিছুতেই থাকতে চায় না। জানলেই জানাতে ইচ্ছে করে, ভাবলেই বলতে ইচ্ছে করে। যেমন কাহিনীর প্রোটাগনিস্ট প্রফেসর রাঘবের ক্লাসগুলো। নরবলির ওপর পিএইচডি করতে আসা স্টুডেন্টদের রিসার্চ গাইড রাঘব। তাই স্বাভাবিকভাবেই নরবলির ইতিহাস তাঁর ক্লাসে বসলে মিলে যায় সহজেই। লেখকের সৌজন্যে আমাদের বসতেও হয় গোটা তিন-চার ক্লাসে। পাতার পর পাতা গল্পচ্ছলে দেশ-বিদেশের নরবলি, নারীবলি নিয়ে প্রচুর জানলাম। এবার দাদাগিরিতে ‘নরবলি স্পেশাল’ এপিসোড হলেই হল। কিন্তু ওদিকে থ্রিলের চেনাজানা সুতোটা যেন কোথায় হারিয়ে গেল। আর সেটা খুঁজে বের করতে করতে আমার সাধের বুকমার্কখানা কীভাবে যে একটা থেকে দুটো হয়ে গেল! ঠিক ধরতে পারলাম না। বর্ণনাও তাই। কোথায় কতটা দিতে হবে, সেটা চেখে দেখতে হয়। নইলে "চন্দ্রহাস"-এও পরিবেশ সৃষ্টিতে দুর্বলতা আসে, বর্ণনার ব্যাপারে র ্যান্ডম স্ট্রোক আমার পছন্দ নয়। তা বলে একদম আউটলাইন করে ছেড়ে দিলে ব্যাপারটা খানিক ক্লিশে হয়ে পড়ে। ভয়ের দৃশ্যগুলোয় মিনিমাম ইঙ্কিং বা শেডটুকু তো দরকার। যাতে শুধু বইয়ের কিছু অক্ষরে না থেকে, পাঠক গল্পে হেঁটে চলে বেড়াতে পারেন। ভয়ের দৃশ্য দেখে কুঁকড়ে যাওয়া আনন্দ নিয়ে পড়ে ফেলতে পারেন সমস্ত বইটা। তবে হ্যাঁ, চন্দ্রহাসের মূল প্লট কিন্তু একদম টাইট করে বাঁধা। কোথাও এতটুকু টোল পড়তে দেননি লেখক। তাই তো মাঝে মাঝে ভাবি এত বিশাল প্লট, এত দৃশ্যকল্প কী ভাবে একটা মাত্র মাথায় রূপ পায়! ভাষা হয়ে খাতা ভরায়! অবশ্য এই বিশাল জার্নিটুকু কিছুটা হলেও ধরা আছে বইয়ের ভূমিকায়। সেখানে এও বলা আছে গোপনীয়তার খাতিরে সত্যির সঙ্গে সঙ্গে চড়া দাগের ফিকশন মেশানো হয়েছে এই উপন্যাসে। আন্ডার লাইন “চড়া দাগ”। একদম সঠিক স্বীকারোক্তি। আর ঠিক এখানে এসেই আমার মনে হয়েছে ‘চন্দ্রহাস’ একবার পড়ার জন্য বেশ ভাল বই। সাউথ ইন্ডিয়ার লো বাজেটের CGI ওয়ালা সিনেমাগুলোতে এরকম স্ক্রিপ্ট দেখা যায় বটে। কিন্তু বাংলায় এই প্রথম দেখলাম। তাও উপন্যাসে। একটা নয়, দুটো নয়, তিন তিনটে জাতিস্মর তো তেলুগুরাও দেখাতে পারেনি। একজন মাঝবয়সী প্রফেসর তাঁর অনভ্যস্ত হাতে ছ ফুট লম্বা একটা অস্ত্র তুলে নিচ্ছেন! তাও কী অবলীলায়! তারপর পায়ের চাপে মাটি ফেটে যাওয়া টাইপ ব্যাপারগুলো তো আছেই। গল্পের গরুকে গাছে তোলার বদলে এভাবে শূলে চাপালে গোরক্ষা সমিতি কিন্তু ছেড়ে কথা বলবে না বস! পরিষ্কার কথা, দিনের শেষে এটা গল্প। তাই মাছ ঢাকতে শাক লাগল না বাঘছাল আনতে হল সেটা বড় কথা নয়। বড় কথা হল ঢাকতে গিয়ে আঁশটে গন্ধটা যেন ছড়িয়ে না যায়। এখানে পারিবারিক নরবলির ব্যাপারে নন-ফিকশন এলিমেন্ট যা আছে তা সাকুল্যে ৫ থেকে ৬ পাতা। তার অন্যপিঠে প্রায় ১৭৫ পাতার ফিকশন রাখলে সেটা খুব বুঝেশুনে রাখতে হয়, মেশাতে হয়। আজ "চন্দ্রমুখী", "অরুন্ধতী" মার্কা সিনেমাগুলো ইতিহাসে পুরে দিলে সেটা হারাতে খান পাঁচেক সিনই যথেষ্ট। তাই জোর করে সত্যি আর কল্পনার মাঝে কাঁটাতার তুলতে গেলে মাঝখান থেকে পাঠকই ক্ষতবিক্ষত হন। যেখানে মিশে যাওয়াই যেকোনো রকম শিল্পের একমাত্র ধর্ম। আর তন্ত্রমতে ভয় দেখাতে অ্যাকশন কি খুব দরকার ছিল? "অলাতচক্র"-এ একটা গোটা জঙ্গল জুড়ে মরা পাখি দেখে আমরা কিন্তু অনেক বেশি ভয় পেয়েছিলাম মশাই। অনুপস্থিতি জিনিসটা বরাবরই ভয়াবহ। দ্যাটস অল। নিঃসন্দেহে অনেক খেটেখুটে , পরিশ্রম করে লেখা বই। শুধু ফিকশনটুকু একটু বুঝেশুনে দিলে, ভালভাবে মিলমিশ করে দিলে এ বই ‘চন্দ্রহাস’-র মত অবিনশ্বর হলেও হতে পারত। এই আর কী। পুনশ্চ: প্রথমে আসে পাপ, তারপর মহাপাপ, আর শেষে আসে গোটা পাঠ পতিক্রিয়ায় শিল্পীদের নিয়ে একটাও কথা না বলা। অনিকেত মিত্র স্বভাব সুলভ ভাবেই ফাটিয়ে দিয়েছেন। কি কভার আর কি ইলাস্ট্রেশন! তবে খুব নিম্নমানের ছাপার কোয়ালিটির জন্য ভেতরের প্রায় সবকটা আঁকাই মাঠে মারা গেছে। আশা করি পরে সেগুলো ঠিক করে নেওয়া হবে। আরেকটা ভুল দেখলাম ব্যাক কভারে গণেশে। কারণ গল্পে ষড়ভুজ গণেশের কথা আছে। এখানে আঁকা হয়েছে চতুর্ভুজ, আর গণেশের শুঁড়ের পজিশন এখানে আর ভেতরের একটা ইলাস্ট্রেশনে ভুল আছে। অবশ্য ব্রিফিং-র প্রবলেম হয়ে থাকলে শিল্পীকে দোষ দেওয়া যায় না তেমন। ব্যস্, লাইটস অফ!

  7. 5 out of 5

    আহনাফ তাহমিদ

    অনেকদিন পর এমন হরর কাম থ্রিলার কাম স্ল্যাশার কাম গোর জনরার একটা বই পড়লাম। কয়েকদিন আগে চণ্ডাল পড়েছিলাম খুব আশা নিয়ে। আশানুরুপ হয়নি। চন্দ্রহাসের ওপরও হাই এক্সপেকটেশন ছিল। খুব বেশি যে পূরণ হয়েছে, তা বলব না। তবে নতুন একটা স্টাইলের সাথে পরিচিত হলাম। এটার জন্য লেখককে ধন্যবাদ দিতেই হয়। ইতিহাসের প্রফেসর রাঘব আর তার ছাত্র রিশানের সাথে পারিবারিক নরবলির ইতিহাসের চৌকাঠে পা রাখলাম চন্দ্রহাসের মাধ্যমে। কেমন ছিল গল্পটা, সে প্রতিক্রিয়ায় আসছি এবারেঃ ১) প্রথমেই বলতে হয় লেখকের রিসার্চের কথায়। বেশ গভীরভা অনেকদিন পর এমন হরর কাম থ্রিলার কাম স্ল্যাশার কাম গোর জনরার একটা বই পড়লাম। কয়েকদিন আগে চণ্ডাল পড়েছিলাম খুব আশা নিয়ে। আশানুরুপ হয়নি। চন্দ্রহাসের ওপরও হাই এক্সপেকটেশন ছিল। খুব বেশি যে পূরণ হয়েছে, তা বলব না। তবে নতুন একটা স্টাইলের সাথে পরিচিত হলাম। এটার জন্য লেখককে ধন্যবাদ দিতেই হয়। ইতিহাসের প্রফেসর রাঘব আর তার ছাত্র রিশানের সাথে পারিবারিক নরবলির ইতিহাসের চৌকাঠে পা রাখলাম চন্দ্রহাসের মাধ্যমে। কেমন ছিল গল্পটা, সে প্রতিক্রিয়ায় আসছি এবারেঃ ১) প্রথমেই বলতে হয় লেখকের রিসার্চের কথায়। বেশ গভীরভাবে তিনি এই বিষয়টা নিয়ে গবেষণা করেছেন। তার সুদীর্ঘ ভূমিকায় স্পষ্ট করে বলে দিয়েছিলেন সে কথা। বইটির পাতায় পাতায় সেটারই প্রতিফলন দেখতে পাই। মলাটেই যখন মোটা দাগে লেখা থাকে পারিবারিক নরবলীর ইতিহাস, পাঠকের মন সেখানেই ধরে ফেলা হয় বইটি বগলদাবা করে ফেলার জন্য। এখানেও ঠিক তাই হয়েছে। তবে লেখক যে বিস্তর পড়াশোনা করে আটঘাট বেঁধে নেমেছেন, সেটার জন্য সাধুবাদ। ২) ফ্যাক্টস আর ফিকশনের মিশেল খুবই ভালো হয়েছে, তা বলব না। বরং ফ্যাক্টসের জন্য লেখক নাম্বারটা বেশিই পাবেন। তিনি কষ্ট করেছেন, এবং সেটা তুলেও ধরেছেন চমৎকার মুনশিয়ানায়। ভূমিকাতে বলেছেন তিনি যে পরিবারগুলোর কাছ থেকে অনুমতি নিয়ে এই গল্পে হাত দিয়েছেন, তাদের কোনো কথা এই বইতে থাকবে না। লেখক সে কথা রেখেই চন্দ্রহাসের গল্প তৈরি করেছেন। ৩) বইতে ইতিহাসের বর্ণনা একটু বেশিই। বারবারই ফ্ল্যাশব্যাকে চলে গিয়েছেন লেখক। সনাতন ধর্মের মন্ত্র নিয়ে আমার ধারণা খুব বেশি একটা নেই। তাই বিশাল বিশাল মন্ত্রগুলো পড়তে গিয়ে কিছুটা হোঁচট খেতে হয়েছে বৈকি। ভাগ্যিস লেখক আমাদের মতো পাঠকদের জন্য অর্থও বলে দিয়েছিলেন। ফিকশনের চাইতে ফ্যাক্টসগুলো বেশি আকর্ষনীয় লেগেছে আমার কাছে। আর ফিকশনালাইজ করতে গিয়ে মনে হয়েছে লেখক খানিকটা সমস্যা তৈরি করেছেন। কিছু প্লটহোল রয়েছে। তবে সেটা সামান্যই। রাঘব আর রিশানকে সাহায্য করতে আসা অশরীরীর উপস্থিতি কিছুটা বেখাপ্পা লেগেছে আমার কাছে। সেটাকে অবশ্য পারিবারিক সাহায্যকারী হিসেবে জাস্টিফাই করা হয়েছে, তবুও প্রফেসর রাঘবের চরিত্রায়ণটা আমার কাছে খুব বেশি শক্ত লাগেনি। চন্দ্রহাস উদ্ধারের ক্ষেত্রেই যা কেবল বুদ্ধির ঝিলিক দেখতে পেলাম। ৪) বইতে কিছু আর্টওয়ার্ক দেখানো হয়েছে কাহিনীর সাথে সামঞ্জস্য রাখবার জন্য। এটা আমার কাছে খুব ভালো লেগেছে। খুবই নজরকাড়া ছিল ছবিগুলো। ৫) রিশান ও তার ভাইয়ের স্বপ্নগুলো দেখার আসল কারণ কী ছিল, সেটা নিয়ে আরেকটু বিস্তারিত লিখলে ভালো হতো। প্রফেসর রাঘবের ক্লাসগুলোর ব্যাপ্তি এতটাই যে শুরুতে একটু আকর্ষণ পেলেও শেষের দিকে বিরক্ত লেগেছে। ৬) প্রোটাগনিস্ট রাঘবের চরিত্রটা একটু কেমন যেন দুর্বল লেগেছে। আমি জানি না লেখক এটার দ্বিতীয় পর্ব আনবেন কিনা। রাঘবকে আরও শক্তিশালী রূপে দেখতে চাই। বইয়ের শেষটায় এত তাড়াহুড়ো করায় আমি যারপরনাই হতাশ। পূজা-অর্চনার বর্ণনা নিয়ে লেখক যতটুকু ঘাম ঝড়িয়েছেন, সমাপ্তির বর্ণনার দিকে ততটুকু হলে বেশ জমজমাট একটা কাহিনী হয়ে যেত। ৭) বাতিঘরের অন্যান্য বইয়ের তুলনায় এই বইতে বানান ভুলের মাত্রা কম। বেশ কম। ৮) প্রচ্ছদ শিল্পী অনিকেত মিত্র একটা আলাদা ধন্যবাদ পাবেন এমন জম্পেশ প্রচ্ছদের জন্য। ভেতরের আর্টওয়ার্কগুলোও দশে দশ। শেষ কথা। চন্দ্রহাস পারিবারিক নরবলীর ইতিহাস নিয়ে লেখা একটা বই, যেখানে ফ্যাক্টসের সাথে তাল মিলিয়ে ফিকশন তৈরি করা হয়েছে। ফ্যাক্টসই এখানে মূখ্য, ফিকশনটা কোথায় যেন হারিয়ে গেল। শক্ত একটা চরিত্র কাঁধে ঠেস দিয়ে ফ্যাক্টসগুলোকে দাঁড় করাতে পারল না বলে কিঞ্চিত হতাশ।

  8. 4 out of 5

    Sarah Haque

    পারিবারিক নরবলির কথা শুনে আগ্রহী হয়ে উঠেছিলাম- এটা তো মনে হয় যারা বইটা পড়েছেন তাদের সবারই কথা। আমার আগ্রহ কিছুটা বেড়েছে ভূমিকা পড়ার পর। অন্তত লেখা ভালো লাগবে এতটুকু নিশ্চিত ছিলাম, সেইদিক থেকে হতাশ হইনি। দুই-তিন ঘন্টা একবইয়ে আটকে থাকা আমার মত মানুষের জন্যে এখন বেশ একটা রেকর্ডই বলা চলে। ভারতীয় উপমহাদেশে নরবলির সম্পর্কে হাল্কা ধারণা ছিল কিন্তু এমন রেফারেন্সসহ ফিকশন কম পেয়েছি। লেখক ঐতিহাসিক যেই ঘটনাগুলি তুলে ধরেছেন সেগুলি মনে বেশ দাগ কেটেছে - একঘেয়েমি এইবইয়ের কোথাও ছিল বলে আমার মনে পড়ে না পারিবারিক নরবলির কথা শুনে আগ্রহী হয়ে উঠেছিলাম- এটা তো মনে হয় যারা বইটা পড়েছেন তাদের সবারই কথা। আমার আগ্রহ কিছুটা বেড়েছে ভূমিকা পড়ার পর। অন্তত লেখা ভালো লাগবে এতটুকু নিশ্চিত ছিলাম, সেইদিক থেকে হতাশ হইনি। দুই-তিন ঘন্টা একবইয়ে আটকে থাকা আমার মত মানুষের জন্যে এখন বেশ একটা রেকর্ডই বলা চলে। ভারতীয় উপমহাদেশে নরবলির সম্পর্কে হাল্কা ধারণা ছিল কিন্তু এমন রেফারেন্সসহ ফিকশন কম পেয়েছি। লেখক ঐতিহাসিক যেই ঘটনাগুলি তুলে ধরেছেন সেগুলি মনে বেশ দাগ কেটেছে - একঘেয়েমি এইবইয়ের কোথাও ছিল বলে আমার মনে পড়ে না। পুরোটাই নাটকীয় এবং রহস্যময়। সেই রহস্যগুলি যখন জট ছাড়ানো শুরু করে তার চেয়ে বেশি জট লাগিয়ে দেয়। এবার আসি হতাশার কথায়। ইতিহাসের পাশাপাশি যেই কাহিনীটুকু এসেছে তাতে আমি খুব একটা খুশি নই। লেকচার থিওরি বুঝতে বুঝতেই কাহিনী অনেকদূর চলে গেছে, আচ্ছা তাও মানলাম ; কিন্তু চরিত্রগুলি মারাত্মক দূর্বল, ক্যারেক্টার ডেভেলপমেন্ট প্রায় নেই বললেই চলে। আর শেষের দিকে টুইস্ট আনতে গিয়ে বিষয়টা একেবারেই ফিল্মি হয়ে যায়, কেমন একটা তাড়াহুড়ো ভাব ছিল - আমার কাছে সেইটা খুবই বিরক্তিকর লেগেছে। বিনোদন হিসেবে খারাপ ছিল না, কিন্তু মুগ্ধ হতে পারলাম না।

  9. 4 out of 5

    Ehsan Nabil

    This review has been hidden because it contains spoilers. To view it, click here. এই গল্পটা আসলেই প্রাপ্তমনস্কদের জন্য এবং কঠোরভাবে দুর্বল হৃদয়ের মানুষদের জন্য নয়। রক্ত হিম করা গল্প সাথে সুদক্ষ লেখনী আপনাকে এক দুঃস্বপ্নে নিয়ে যাবে। প্রথম কিছু অধ্যায় পড়ে এক পর্যায়ে বাধ্য হয়ে রেখে দিয়েছিলাম। পরদিন আবার শুরু করি। অবশ্য এমন না যে এ গল্পে শুধুই কাটা মুন্ডু দেখতে হবে। মনে হবে আপনি অতীতে বিচরণ করছেন। নরবলির ইতিহাস থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে লেখক এই উপন্যাসের জন্ম দিয়েছেন। তিনি বইয়ের শুরুতে বলেছেন, কিছু ঐতিহাসিক চরিত্রের উপস্থিতি এবং স্থানের উল্যেখ ব্যতীত সমস্ত চরিত্র কাল্পনিক। এ এই গল্পটা আসলেই প্রাপ্তমনস্কদের জন্য এবং কঠোরভাবে দুর্বল হৃদয়ের মানুষদের জন্য নয়। রক্ত হিম করা গল্প সাথে সুদক্ষ লেখনী আপনাকে এক দুঃস্বপ্নে নিয়ে যাবে। প্রথম কিছু অধ্যায় পড়ে এক পর্যায়ে বাধ্য হয়ে রেখে দিয়েছিলাম। পরদিন আবার শুরু করি। অবশ্য এমন না যে এ গল্পে শুধুই কাটা মুন্ডু দেখতে হবে। মনে হবে আপনি অতীতে বিচরণ করছেন। নরবলির ইতিহাস থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে লেখক এই উপন্যাসের জন্ম দিয়েছেন। তিনি বইয়ের শুরুতে বলেছেন, কিছু ঐতিহাসিক চরিত্রের উপস্থিতি এবং স্থানের উল্যেখ ব্যতীত সমস্ত চরিত্র কাল্পনিক। এবং সম্পূর্ণ কাহিনি সত্য ঘটনা এবং কল্পনার মিশেলে তৈরি। আমি ইতিহাস বিশেষজ্ঞ নই, হিন্দু পৌরাণিক চরিত্র বা ঘটনা সম্পর্কে আমার ধারণা খুবই কম। জানার আগ্রহ নিয়েই বইটা পড়া। হিন্দু পৌরাণিক চরিত্র বা ভারত উপমহদেশের ঐতিহাসিক স্থান ছাড়াও সমগ্র পৃথিবীর নরবলির ইতিহাস সম্পর্কে ধারণা দিতে চেয়েছেন লেখক। সেখানেই এক জায়গায় মারাত্বক একটি ভুল চোখে পরে, শুধু আমার না, গুড রিডস এও অনেকেই এ নিয়ে অভিযোগ করেছেন। লেখক কি এখানে ইতিহাসকে কল্পনার সাথে বিকৃত করে ফেলেছেন জেনে নাকি ভুল কোথাও থেকে তথ্য নিয়েছেন জানিনা। যেহেতু আমার ইতিহাস নিয়ে জ্ঞান কম, হিন্দু পৌরাণিক গল্প সম্পর্কে প্রায় কিছুই জানিনা, কিন্তু ধর্মে মুসলিম হওয়ায় সেমিটিক ধর্মগুলোর ইতিহাস নিয়ে মোটামুটি ভালই জানা আছে, সেখানে ওই একটি ভুল আমাকে বাধ্য করেছে এই বইয়ে উল্যেখিত কোনো ঐতিহাসিক কাহিনীকে সিরিয়াসলি না নিতে। এইজন্যেই রেটিং বেশি দিতে ইচ্ছে করেনি। সেহেতু পরবর্তীতে আমি নিছক একটি ভৌতিক গল্পের মতোই পড়ে শেষ করেছি। এটি আসলে একটি কাল্পনিক গল্প, কিন্তু নরবলির ইতিহাস মিথ্যে নয়। আবারো গল্পে ফিরি। (Spoiler alert) শেষের দিকে ৪৫ বছর বয়সি প্রফেসর রাঘব কিভাবে চন্দ্রহাসের মত ভরি অস্ত্র এক হাত ভাঙ্গা অবস্থায় বাহুবলির মত ব্যাবহার করেছেন টা আমার কাছে যুক্তিতে মেলে না। করণ এই ভদ্রলোক গল্পের শুরুতে যখন ছাত্রদের নরবলির ইতিহাস পড়াচ্ছিলেন তখন বিভৎস গল্প বলতে বলতে তিনি দম হারিয়ে বসে যেতেন। সম্ভবত চন্দ্রহাসে কোনো অলৌকিক শক্তি ছিল। পুরো গল্পটাই অলৌকিক। আসলে এখানে লজিক দিয়ে কিছু বোঝা বৃথা। তবে লেখকের লেখনি অসাধারণ। ভৌতিক, অলৌকিক, লৌকিক সব ধরনের বিভৎস অনুভূতি আপনি টের পাবেন বইটা পড়ে।

  10. 5 out of 5

    Mahadi Hasan

    ফিকশন লেখার চেষ্টা করেছেন, তা ফিকশন লেখার টেকনিকই যদি না আসে তাহলে কি করে হল! নন ফিকশন হলে লেখকের পড়াশুনা কাজে আসতো। এত সুন্দর টপিক সেটা লেখনীর দক্ষতার অভাবে বিনষ্ট হল। আর যেই বিশাল বড় ভূমিকা, সেটা পড়েই মনে হয়েছে খাজনার চাইতে বাজনা বেশি হতে পারে। সেটাই হয়েছে। কোন লেখককে বা বইয়ে এত বিশাল ভূমিকা আমি পড়েছি বলে মনে পড়ে না। রাজনৈতিক জনসভায় নেতারা যেরকম মাইক পেলে ছাড়তেই চায় না, ওরকম। দারুন একটা টপিক, চরম বাজে লেখনী।

  11. 5 out of 5

    Kaikobad Zico

    প্লট ভালো ছিলো। কিন্তু লেখনীতে তাড়াহুড়া চোখে লাগার মত। অলৌকিক ব্যপারগুলো একটু বেশীই মনে হলো। আরেকটু সময় দিলে ক্যারক্টার বিল্ডআপ কর যেতো বোধহয়। ইতিহাস ক্লাসের কথোপকথন কেমন যেন খাপছাড়া লেগেছে। যেহেতু ফিকশন, ঐতিহাসিক ঘটনার সত্যতা নিয়ে মাথা ঘামাই নি! আসলে, বইটার মার্কেটিং দেখে প্রত্যাশা একটু বেশী করে ফেলেছিলাম!

  12. 5 out of 5

    Md. Nahidul Islam

    বইটির মলাটেই লেখা কাহিনী নরবলি নিয়ে। বাংলা সাহিত্যে এমন ধরণের বই আমার আগে পড়া ছিল না। লেখকের কোন বইও আগে পড়া হয়নি। লেখক অনেক রিসার্চ করে বইটি লিখেছেন, তাতে যেটা সমস্যা হয়েছে বলে আমার মনে হয় সেটা হলো বইটা খানিক রিসার্চ পেপারের মত হয়ে গেছে৷ ঘটনাবলী যতটা ফিকশনের ভাব বা গল্পের ভাবে থাকার কথা তার চেয়ে বেশী রিসার্চ এর তথ্যের মত। সব মিলিয়ে যতটা উপভোগ্য হবে ভেবেছিলাম ততটা হয় নি।

  13. 4 out of 5

    Saubhik Sarkar

    Suru ta jobordost!! Majhe dhime taal e choleche golpo ta. Onek gobeshona kore lekha. Ses ta jano jor kore melanor akta chesta. Ses chapter e ache twist, jar jonye porer boi tir jonye opekha korte hoi. P.s. vetorer chobi gulo besh valo. An okay read.

  14. 5 out of 5

    তানভীর

    নরবলী..কথাটা শুনলেই একটা ভয় কাজ করা শুরু করে..আর এই কাজটিকেই খুব সুনিপুনভাবে করেছেন সৌরভ চক্রবর্তী..টানটান উত্তেজনায় ভরা গল্প আর গল্প বলার ধরন ও ছিল মনমুগ্ধকর..যেন নিজে গিয়ে পৌছে যাচ্ছি ঘটনাস্থলে...দারুন সব চরিত্র আর ঐতিহাসিক সব ঘটনার মিশেলে সত্যিই এক অনন্যরূপ লাভ করেছে এই চন্দ্রহাস..

  15. 4 out of 5

    Mazedur Pranto

    প্রচুর আশা নিয়ে কেনার পর হতাশ হলাম। লেখক যদিও লিখেছেন যে, তার বইটি ফিকশন ননফিকশন মেলানো কিন্তু শুধুমাত্র নন ফিকশন করলেই ঠিক করতেন। ৮০ পেইজ যেতে যেতে মোটামুটি হাপ ধরে গেছে। বাকিটুকু ঠিক পড়ার আগ্রহ জাগল না। এতটাই নিরামিষ লেগেছে

  16. 4 out of 5

    Fahmida Ahmed

    এক বসায় শেষ করার মতো অসাধারণ অনবদ্য উপন্যাস। ❤

  17. 4 out of 5

    Md. Delowar

    অনেকদিন পর একটা ভিন্ন স্বাদের বই পড়লাম, ধন্যবাদ বাতিঘর কে এই বই বাংলাদেশে প্রকাশ করার জন্য এবং লেখক কে অভিনন্দন এই অসাধারণ সৃষ্টির জন্য। অনেক অভিনন্দন।

  18. 4 out of 5

    Foysal Abir

    উপন্যাসের প্লট ভাল ছিল। কিন্তু, শেষ দিকে কেমন যেন ভাল লাগে নি (ব্যক্তিগত মতামত)।

  19. 5 out of 5

    Labiba Ferdous

  20. 5 out of 5

    Wadia Chowdhury

  21. 5 out of 5

    Tasnia Khan

  22. 5 out of 5

    অভ্র তিয়াশ

  23. 4 out of 5

    Naimul Arif

  24. 4 out of 5

    Mohammad Islam

  25. 4 out of 5

    Tahira Zarin

  26. 5 out of 5

    Tunazzina Rangga

  27. 5 out of 5

    Shaon Arafat

  28. 5 out of 5

    Monjur Morshed Prottoy

  29. 5 out of 5

    prama

  30. 5 out of 5

    Nodi Tabassum

Add a review

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Loading...
We use cookies to give you the best online experience. By using our website you agree to our use of cookies in accordance with our cookie policy.